আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডকে (আইএমও) বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতাগুলোর একটি। ১৯৫৯ সালে রোমানিয়ায় এ আয়োজন শুরু হয়েছিল। এবার চীনে বসছে আইএমওর ৬৭তম আসর। এ বছর অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশসহ ১০০টির বেশি দেশের প্রায় ৬০০ প্রতিযোগী।
গণিত অলিম্পিয়াডে প্রাক্-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়ুয়াদের ছয়টি গাণিতিক সমস্যা দেওয়া হয়, সমাধান করতে হয় পরপর দুই দিনে। ফলাফলের ভিত্তিতে দেওয়া হয় সোনা, রুপা ও ব্রোঞ্জের মেডেল।
পাঠক যখন এই লেখা পড়ছেন, বাংলাদেশের ছয় শিক্ষার্থীর দল ততক্ষণে চীনে পৌঁছে গেছে। আমাদের সঙ্গে তাদের আলাপ হলো ২২ জুন। প্রতিবার আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের ঠিক আগমুহূর্তে তাড়াহুড়ার মধ্যে কথা বলতে হয়। শিক্ষার্থীদের চোখেমুখেও থাকে দুশ্চিন্তা, উদ্বেগের ছাপ। কিন্তু ২০২৬ সালের আসরের প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। চীনের সাংহাইয়ে অনুষ্ঠেয় ৬৭তম আইএমওর মূলমঞ্চে নামার আগে এবার বাংলাদেশ দল যাচ্ছে বেইজিংয়ের চতুর্থ আন্তর্জাতিক গণিত সামার ক্যাম্পে।
‘অন্যবার সরাসরি পরীক্ষা দিতে হতো, এবার সামার ক্যাম্পের সুবাদে নিজেদের প্রস্তুতিটা আরেকটু ঝালিয়ে করে নেওয়ার দারুণ একটা সুযোগ পাচ্ছি,’ আড্ডার শুরুতেই বলল দলের অন্যতম অভিজ্ঞ সদস্য মনামী জামান। বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা চললেও গণিত দলের সদস্যদের আগ্রহ বেশি গণিতেই। ফুটবলে কে কোন দলের সমর্থক—এমন প্রশ্নে খুব একটা রা মিলল না। খুদে গণিতবিদদের ভাবনাজুড়ে এখন গণিতের বিশ্বকাপ।

